ইউরোর ফাইনালে ৫৭ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন ইংলিশ ডিফেন্ডার

এই মেগাফাইনালে বাড়তি উত্তেজনা যোগ করেছে গ্যালারিপূর্ণ দর্শক। স্টেডিয়াম কানায় কানায় পূর্ণ। কৃত্রিম আওয়াজের দরকার নেই।

আর গ্যালারি ভর্তি সমর্থকদের সমর্থন যেন উদ্দীপক হয়ে উঠেছে ইংল্যান্ড দলে। ম্যাচ শুরুর পর ধারাভাষ্যকাররাও ঠিকমতো দুই দলের একাদশের নাম বলে শেষ করতে পারেনি তখনই গোল।

গ্যালারি ভর্তি দর্শকের হর্ষধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠল ওয়েম্বলি। কারণ গোলটি দিয়েছেন ইংল্যান্ড দলের ডিফেন্ডার (লেফট-ব্যাক) লিউক শ।

ম্যাচ শুরুর ২ মিনিট শেষ হওয়ার আগেই ইতালির জালে বল জড়িয়ে দিলেন ম্যানসিটির এই লেফট ব্যাক। ১-০ গোলে লিড নিল ইংল্যান্ড।

ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে কর্নার কিক পায় ইতালি। কর্নার থেকে ভেসে আসা বল ক্লিয়ার করে কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে ইংল্যান্ড।

বক্সের ডান পাশ লম্বা পাস দেন কিয়েরান ট্রিপিয়ার। দৌড়ে এগিয়ে এসে লুক শ ডান পায়ের দুর্দান্ত এক শট নেন। মুহূর্তেই বলটি ইতালির জালে জড়িয়ে যায়।

এটি লিউকের প্রথম আন্তর্জাতিক গোল ইউরোর ফাইনালে। গোলটি করে ইউরো কাপের ইতিহাসে সর্বকালীন একটি রেকর্ড গড়লেন। ১ মিনিট ৫৭ সেকেন্ডে করা তার গোলটিই এখন ইউরোর ফাইনাল ম্যাচে করা দ্রুততম গোল।

১৯৬৪ সালে পেরেদা ৬ মিনিটের মাথায় গোল করেছিলেন। তার থেকে অনেক এগিয়ে ৫৭ বছরের অক্ষুণ্ন রেকর্ড নিজের করে নিলেন।

এমন গোলের পর মাঠের বাইরে উত্তেজনার পারদ চরমে তা নিশ্চিত।

কারণ ফাইনালকে ঘিরে ইংল্যান্ড সমর্থকদের উন্মত্ততায় লন্ডনের রাস্তা কার্যত অবরুদ্ধ। ট্রাফিক সিগন্যালের উপর উঠেও মানুষ তান্ডব চালিয়েছে।

সেসব ভিডিও ছবি প্রকাশ হয়ে গণমাধ্যমসহ সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ইংল্যান্ডের প্রথম একাদশ

জর্ডান পিকফোর্ড, কাইল ওয়াকার, লুক শ, ডেকলান রাইস, জন স্টোনস, হ্যারি ম্যাগুইরে, হ্যারি কেইন, রাহিম স্টার্লিং, কেলভিন ফিলিপস, ম্যাসন মাউন্ট, কিয়েরান ট্রিপিয়ার।

ইতালির প্রথম একাদশ

জিয়ানলুইজি ডোনারুমা, লরেঞ্জো, বোনুচ্চি, কিয়েল্লিনি, এমারসন, বারেল্লা, জোরজিনহো, ভেরাত্তি, চিয়েসা, সিরো ইমোবিলে, ইনসিগনে।


৪ মিনিটের মাথায় হ্যান্ড বল করেন ইতালির জোরগিনহো। ৮ মিনিটের মাথায় ইংল্যান্ডের পোস্টে শট নেন ইনসাইন। যদিও তাঁর শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *