ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে নির্যাতিত সাংবাদিকের মামলা, তদন্তে আবারও সময় প্রার্থনা

ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে নির্যাতিত সাংবাদিকের মামলা, তদন্তে আবারও সময় প্রার্থনা

টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ এবং তার ২৬ পুলিশ সদস্য ও চার মাদক ব্যবসায়ীসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে দৈনিক কক্সবাজার বাণীর সম্পাদক নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খানের দায়েরকৃত মামলার প্রতিবেদন জমা দিতে ৫ম বারের মতো সময়ের আবেদন করেছে পিবিআই।

বৃহস্পতিবার কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জেরিন সুলতানের আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক কায়সার হামিদ এ আবেদন করেন।

অপরদিকে মাদকের বিরুদ্ধেই লেখালেখির কারণে ফরিদুল মোস্তফা খানের বিরুদ্ধে পুলিশের ছয় মামলা এখনও প্রত্যাহার হয়নি।

এ অবস্থায় একদিকে নিজের মিথ্যা মামলা, অপরদিকে মামলা-হামলায় জড়িতদের শাস্তি ও ন্যায়বিচারের দাবিতে আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান।

তিনি অভিযোগ করেছেন, মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র সম্পাদক পরিষদ, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন দীর্ঘদিন হচ্ছে। যার রিসিভ কপি তার কাছে আছে।

এদিকে নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা নিজের সব মিথ্যা মামলা দ্রুত প্রত্যাহার ও জড়িতদের বিরুদ্ধে তার দায়েরকৃত মামলা আমলে নিয়ে আসামিদের আইনের আওতায় আনতে বরাবরের মতো প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বিচার বিভাগসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের তড়িৎ হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সাংবাদিক ফরিদ আরও বলেন, মাদক ও ঘুসের বিরুদ্ধে লিখেছি বলে প্রদীপ ও তার লালিত মাদক ব্যবসায়ীরা পাশবিক নির্যাতন করছে। ছয়টি মিথ্যা মামলা দিয়ে টানা ১১ মাস কারাগারে রেখেছে। আমি বর্তমানে শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক বিপর্যয়ে আছি। এই মামলা চালাতে পারছি না।

বাদীর প্রধান আইনজীবী মো. আবদুল মান্নান বলেন, দিবালোকের মতো স্পষ্ট সাংবাদিক নির্যাতনের একটি ঘটনার যথাসময়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না করায় দেশের বিচারব্যবস্থা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *