যে কারণে হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাবে রাশিয়া

যে কারণে হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাবে রাশিয়া

পানির নিচে সাবমেরিনকে ভয়াবহ অস্ত্রে সজ্জিত করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাবে রাশিয়া। আগস্ট মাসের শেষ দিকে পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে এ পরীক্ষা চালানো হবে।

শুক্রবার রুশ বার্তা সংস্থা তাস জানায়, এই মাসের শেষের দিকে উত্তরাঞ্চলীয় নৌবহরের ইয়াসিন ক্লাস সেভেরোডভিনস্ক পারমাণবিকচালিত সাবমেরিন থেকে এই পরীক্ষা চালানো হবে।

জুলাই মাসে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষণা দেয়, তারা সফলভাবে অ্যাডমিরাল গোরশকভ থেকে শব্দের চেয়ে সাতগুণ বেশি দ্রুতগতির একটি ক্ষেপণাস্ত্র

সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেছে। এটি শ্বেত সাগর থেকে ২০০ মাইলের বেশি পাড়ি দিয়ে বারেন্ট সাগরে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

ওই পরীক্ষার পর থেকেই ক্ষেপণাস্ত্রটির সাবমেরিনে পরীক্ষা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। সিরকন নামের এই ক্ষেপণাস্ত্রটি উদ্ভাবন করেছে এনপিও মেশিনোস্ত্রোয়েনিয়া।

এদিকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর কাছে শিগগিরই অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এস-৫০০ ও আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘সারমাত’ হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

পুতিন বলেছেন, শিগগিরই রুশ সেনাবাহিনী যেসব অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত হতে যাচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— আন্তঃমহাদেশীয় ‘সারমাত’

ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধজাহাজে স্থাপনযোগ্য শব্দের চেয়ে দ্রুত গতিসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ‘তেসরিকুন’ এবং ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ‘এস-৫০০’।

একই সঙ্গে ২০৩৪ সালের মধ্যে রাশিয়ার সেনাবাহিনীকে সর্বাধুনিক সমরাস্ত্রে সুসজ্জিত করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরেন পুতিন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *