ঢাকাWednesday , 20 April 2022
  1. অন্যান্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. আবহাওয়া
  4. ইসলাম
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. দেশজুরে
  8. বিনোদন
  9. রাজনীতি
  10. শিক্ষা
  11. স্বাস্থ্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সবাই চায় অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, বাধা কী?

admin
April 20, 2022 4:00 pm
Link Copied!

সরকার, সরকারি দল ও বিরোধী দলসহ সব রাজনৈতিক দল চায় নির্বাচন হোক অংশগ্রহণমূলক। এ নিয়ে দেশি-বিদেশি সংস্থাগুলোরও আগ্রহের কমতি নেই। অনেকে এ বিষয়ে নানা সময়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে। ইনিয়ে বিনিয়ে চাপ দেওয়ারও চেষ্টা করে। নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনারও বলছেন, সর্বশক্তি দিয়ে অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নির্বাচন করার চেষ্টা করবো।

কিন্তু এই অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে বাধা কোথায়? কেন সেটা করা যাচ্ছে না, এর সমাধান কী করে সম্ভব? এ নিয়ে নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক সমঝোতা প্রয়োজন।

 একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক সমঝোতা প্রয়োজন। এছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আদৌ সম্ভব নয়। এই রাজনৈতিক সমঝোতার জন্য সরকারি দলের উদ্যোগ গ্রহণ ও সদিচ্ছা প্রয়োজন। রাজনৈতিক দলের নেতারাও বলছেন, এজন্য প্রয়োজন আন্তরিকতা

এছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আদৌ সম্ভব নয়। এই রাজনৈতিক সমঝোতার জন্য সরকারি দলের উদ্যোগ গ্রহণ ও সদিচ্ছা প্রয়োজন। রাজনৈতিক দলের নেতারাও বলছেন, এজন্য প্রয়োজন আন্তরিকতা।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে স্বীকার করেছেন, আমরা আমাদের শক্তিশালী বিরোধী দল পাচ্ছি না। এখানে একটা পলিটিক্যাল সমস্যা কিন্তু আছে। আমাদের ওয়েস্টার্ন ওয়ার্ল্ড থেকে যখন শোনায়, এখানে ডেমোক্রেসি, পার্টিসিপেটরি ডেমোক্রেসি, ইলেকশন, হেনতেন। কিন্তু আসলে এখানে করবেটা কি? সেটাও তারা চিন্তা করে না। গণতন্ত্রের কথা বলতে গেলে অনেক দল দরকার। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, উন্নত বিশ্বে মাত্র দুই দল হয়ে গেছে এখন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দুই দলের বেশি শক্তিশালী দল নেই।

তিনি বলেন, নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২৫ শতাংশ সংগঠন ইলেকশনই করে না। ইলেকশন করার বিষয়ে একটা অনীহা চলে আসে মানুষের। এটাও কিন্তু অনেক দেশে দেখা যাচ্ছে। আমাদের দেশটা ধীরে ধীরে ওরকম হয়ে যাচ্ছে।

বিএনপিসহ বিভিন্ন দলও বিভিন্ন সময় বলে আসছে, সব দলের অংশগ্রহণে একটি নির্বাচন প্রয়োজন। সরকার চাইলে এটি করতে পারে। যেহেতু তারা দায়িত্বে এই উদ্যোগ তাদেরই নিতে হবে।

 যারা সরকারে আছে আদৌ কি তারা চায় নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হোক? আমার কিন্তু সেটা মনে হয় না। যদি তারা চাইত, তাহলে তারা উপরোক্ত বিষয়গুলো নিশ্চিত করার সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য স্টেকহোল্ডার ও দলগুলোর সঙ্গে বসতো। আলাপ-আলোচনা করে সে ব্যাপারে আশ্বস্ত করতো যে, নির্বাচনকালে তারা প্রত্যাশিত একটি সরকার নিশ্চিত করবে

সম্প্রতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার হাবিবুল আউয়াল সাংবাদিকদের সঙ্গে সংলাপকালে বলেছেন, সর্বশক্তি দিয়ে অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নির্বাচন করার চেষ্টা করবো।

এ নিয়ে সদ্য সাবেক নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন যদি করতেই হয়, তাহলে রাজনৈতিক সমঝোতা লাগবে, সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে। এই রাজনৈতিক সমঝোতা ছাড়া একটা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করা আদৌ কোনো দিন সম্ভব বলে আমি মনে করি না। কারণ হয়তো সবাই আইন মেনে চলল কিন্তু একটা দল অংশ নিল না। তাহলে তো এটা অংশগ্রহণমূলক হলো না।’

সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার জাগো নিউজকে বলেন, বড় বাধা হচ্ছে- অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনেকের জন্য কথার কথা। এটা সবাই শুনতে চায়, তাই বলে। তারা যদি বিশ্বাস করে, তাহলে উদ্যোগ নিক। সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য আমাদের রাজনৈতিক সমঝোতা দরকার। শুধু নির্বাচনই নয়, নির্বাচনের পরেও যাতে একটা কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারে, সেজন্য একটা সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার।

এছাড়া দুর্নীতি দুর্বৃত্তায়নের সমস্যার সমাধান এক দলের পক্ষে সম্ভব নয়, এটাও সবাই মিলে করতে হবে। তাই একটা রাজনৈতিক সমঝোতা প্রয়োজন। এজন্য একটা উদ্যোগ নেওয়া দরকার, বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে।

তবে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন জাগো নিউজকে বলেন, ‘নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে কোথাও কোনো বাধা নেই। প্রয়োজন আন্তরিকতা। বিএনপি যদি অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনেও না জেতে, তাহলে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি বলে প্রচার করবে এটাই বড় বাধা। নির্বাচন ছাড়া সরকার পরিবর্তনের কোনো সুযোগ এখন নেই।

বিএনপিকে নির্বাচন সিরিয়াসলি নিতে হবে তাহলেই নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। আওয়ামী লীগের মতো গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে কোনো কালিমা নিতে চায় না। কিন্তু বিএনপি কৌশলে আওয়ামী লীগের গায়ে কালিমা লেপন করে তাদের পর্যায়ে আওয়ামী লীগকে নামানোর চেষ্টা করছে। এবার সেই সুযোগ দেওয়া হবে না।’

এ নিয়ে বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা জাগো নিউজকে বলেন, ‘অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন তখনই হবে যখন আপনি সব পক্ষকে আশ্বস্ত করতে পারবেন, নির্বাচনটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ হবে। নির্বাচনের সময় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডটা ঠিক থাকবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা প্রশাসন; এরা কেউ দলীয় ভূমিকা নেবে না। কোনো একটি দলের প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল হবে না। বরং সবার প্রতি সমান দৃষ্টি রাখবে। নির্বাচনের নিয়মভঙ্গ বা আইনভঙ্গ বা প্রচারণার সময় কমবেশি হলে তারা যথাযথ ভূমিকা পালন করবে। এই জায়গাগুলো যদি আপনি নিশ্চিত করতে না পারেন, তাহলে কোনোভাবেই একটা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আশা করতে পারেন না।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, যারা সরকারে আছে আদৌ কি তারা চায় নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হোক? আমার কিন্তু সেটা মনে হয় না। যদি তারা চাইতো, তাহলে তারা উপর্যুক্ত বিষয়গুলো নিশ্চিত করার সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য স্টেকহোল্ডার ও দলগুলোর সঙ্গে বসতো। আলাপ-আলোচনা করে সে ব্যাপারে আশ্বস্ত করত যে, নির্বাচনকালে তারা প্রত্যাশিত একটি সরকার নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যা যা দরকার, তারা তাই করবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।