ঢাকাTuesday , 19 April 2022
  1. অন্যান্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. আবহাওয়া
  4. ইসলাম
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. দেশজুরে
  8. বিনোদন
  9. রাজনীতি
  10. শিক্ষা
  11. স্বাস্থ্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আত্মত্যাগের মূল্যায়ন করেছে দল: ছাত্রদল সভাপতি

admin
April 19, 2022 2:39 pm
Link Copied!

ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ। গত রোববার (১৭ এপ্রিল) এই কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরপরই সভাপতি শ্রাবণকে নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। কারণ তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এমন পরিবারের সন্তান। তার বাবা কাজী রফিকুল ইসলাম কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। এসব বিষয়ে জাগো নিউজের সঙ্গে কথা বলেন শ্রাবণ

শ্রাবণ: ১০ বছর ধরে পরিবারের সঙ্গে আমার সম্পর্ক নেই। সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হওয়াটাই স্বাভাবিক; কারণ আমার পরিবার ভিন্ন মতাদর্শের রাজনীতি করে। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র হিসেবে আমার মতাদর্শে রাজনীতির চর্চা করি। পরিবার হয়তো মনে করছে আমার সঙ্গে সম্পর্ক রাখলে তাদের রাজনৈতিক ক্ষতি হতে পারে। তাই তারা যোগাযোগ রাখেনি, কিন্তু আমি চেষ্টা করেছি।

এটা শুধু আমার পরিবারে নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারেই দেখবেন। এখন ইউনিয়ন পর্যায়ের রাজনীতিতে গণতান্ত্রিক চর্চা, সহিষ্ণুতা নেই। দলীয় প্রতীক ইউনিয়ন পর্যায়ে যাওয়ার পর বর্তমান সরকার তৃণমূলের ঘরে ঘরে গ্রুপিং করে দিয়েছে। আমার পরিবার যেহেতু আওয়ামী লীগ করে, তাই তারা তো আওয়ামী লীগের চরিত্রের বাইরে কিছু নয়।

তারা আমাকে অস্বীকার করবে এটাই স্বাভাবিক। এজন্য মানবিক কারণে আমার দুঃখ প্রকাশ করা। বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতে পারি না, তবে আদর্শিক কারণে আমি গর্বিত। সংগঠনের কারণে আমাকে বিসর্জন দিতে হয়েছে পরিবার, আর দল আমার সেই আত্মত্যাগের মূল্যায়ন করেছে।

শ্রাবণ: ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথমেই আমি মায়ের মাধ্যমে পরিবারকে জাতীয়তাবাদী আদর্শের রাজনীতিতে আসার জন্য আহ্বান জানিয়েছি। অনেক আওয়ামী পরিবারের ছাত্র রয়েছে, যারা শিক্ষিত-মার্জিত। ছাত্রদলের প্রতি এখন আস্থা তৈরি হবে। আপনারা ছাত্রদলে আসেন। আপনারা যোগ্যতা দিয়ে ছাত্রদলে আমার মতো সর্বোচ্চ জায়গায় পদায়িত হন।

শ্রাবণ: ছাত্ররাজনীতি জাতীয় রাজনীতি থেকে আলাদা কিছু নয়। যেহেতু রাষ্ট্রের সব পর্যায়ে অগণতান্ত্রিক সরকার রয়েছে। তাই স্বাভাবিকভাবে ছাত্ররাজনীতি তাদের নিজ নিজ আদর্শ বাস্তবায়ন করবে। জাতীয়তাবাদী আদর্শ জিয়া পরিবার, ছাত্রদলের অভিভাবক তারেক রহমান এবং সাধারণ ছাত্রদের যে চাহিদা, তার সমন্বয় করে আমরা সামনে আগাবো ইনশাআল্লাহ।

শ্রাবণ: আমাদের প্রধান টার্গেট হচ্ছে, আগামী তিন মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি এবং কেন্দ্রীয় কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা। সবাইকে একটি সাংগঠনিক পরিচয় দেওয়া।

শ্রাবণ: সরকার কখনই ছাত্রদলকে সুযোগ দেয়নি। তারপরও ছাত্রদল সংগঠনের কারণে তাদের আদর্শ বাস্তবায়নে পিছপা হয়নি। সরকার আমাদের যতই ডিস্টার্ব করুক, হয়তো গ্রেফতার করতে পারে; একজন গ্রেফতার হলে অন্যজন দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত। আমাদের সাংগঠনিক যে প্রক্রিয়া, কমিটি গঠনের যে চলমান প্রক্রিয়া তা থেকে ছাত্রদল পিছু হটবে না ইনশাআল্লাহ।

শ্রাবণ: ২৭ বছর পর ২০১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে ছাত্রদলের নেতৃত্বে আসি। আমি সেই নির্বাচনে সভাপতি পদে অংশগ্রহণ করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছিলাম। ছাত্রদল নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক আমাদের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। আমরা দুই বছর ৭ মাস কাজ করেছি। সারাদেশে আমরা প্রায় ৮০ শতাংশ সাংগঠনিক কার্যক্রম শেষ করেছি। ২০ বা ২৫ শতাংশ তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কাঠামো বাকি রয়েছে, এগুলো দ্রুত শেষ করবো।

শ্রাবণ: সভাপতি হিসেবে আমার প্রধান লক্ষ্য- ক্যাম্পাস রাজনীতিকে আরও গতিশীল করা। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ছাত্রসমাজকে সঙ্গে নিয়ে যাতে আন্দোলন করতে পারি সেই চেষ্টা এবং সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমান যাতে সম্মানে দেশে আসতে পারেন তার জন্য যে আন্দোলন করা দরকার সেই আন্দোলন করা।

শ্রাবণ: ছাত্রদলের খোকন শ্যামল কমিটি প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত। ওই নির্বাচনে আমি সভাপতি প্রার্থী হিসেবে দ্বিতীয় ছিলাম এবং জুয়েল সাধারণ সম্পাদক পদে তৃতীয় ছিলেন। কিছুদিন আগে আমাদের সংগঠনের অভিভাবক ছাত্রদলের সাত সদস্যের কমিটির সঙ্গে সভা করেছেন। আমরা বলেছি, কাউন্সিলরদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধি তাদের মতামত নিয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেই সিদ্ধান্তই ছাত্রদলের কমিটি হিসেবে বিবেচিত হবে।

শ্রাবণ: আকৃষ্ট হওয়ার প্রধান রহস্য হচ্ছে, যখন কলেজে ভর্তি হই, তখন আমি দেখেছি, যারা স্মার্ট, হাস্যোজ্জ্বল মানুষের সঙ্গে মিশতে পারে এই ছেলেগুলো ছাত্রদলের রাজনীতি করে। মূলত এটা দেখার পর ছাত্রদলের প্রতি আকৃষ্ট হই। ওখান থেকেই ছাত্রদল বুকে লালন করা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকে সক্রিয় হই ছাত্রদলের রাজনীতিতে।

শ্রাবণ: নতুন নির্দেশনা নিয়ে সাংগঠনিক অভিভাবকের সঙ্গে মিটিং রয়েছে আমাদের। দ্রুত সময়ের মধ্যে কেন্দ্রীয় কমিটি প্রকাশিত হবে।

শ্রাবণ: সময়ের কারণে ঢাকার মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে পারিনি। তৃণমূল কমিটি ঘোষণার কারণে কেন্দ্রীয় সংগঠন ব্যস্ত ছিল। আমি এবং সাধারণ সম্পাদকের প্রধান কাজই হলো ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ও ঢাকার মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে একটি সাংগঠনিক কাঠামো দাঁড় করানো।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।