৫ ঘণ্টা পুলিশি জেরার মুখে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ তথ্য দিলেন শিল্পা শেঠি

তার বাড়িতে ৪ ঘণ্টার তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। এতেই শেষ নয়, পুলিশি জেরায়ও পড়েছেন এ অভিনেত্রী।

পর্নো ছবির শুটিং সম্পর্কে শিল্পাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে মুম্বাই পুলিশ।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে প্রকাশ, স্বামী পর্নো কেলেঙ্কারি মামলায় শুক্রবার শিল্পা শেঠির বয়ান রেকর্ড করা হয়। একই দিনে মুম্বাইয়ের জুহুতে অবস্থিত রাজ-শিল্পার বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ।

জেরায় স্বামীর রাজের পক্ষই নিয়েছেন শিল্পা। তবে ভিডিও ও অ্যাপের বিষয়টি অস্বীকার করেননি। কিন্তু স্বামীর তৈরি এসব ভিডিও কোনো পর্নো বা নীল ছবি নয় বলে দাবি শিল্পার।

তিনি পুলিশকে বলেন, হ্যাঁ, রাজ এসব ভিডিও ও অ্যাপে ভিডিও সরবরাহ করেছেন। কিন্তু এসব ভিডিওকে যেভাবে পর্নো বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে তা নয়। এগুলো ইরোটিক ভিডিও।

মিড ডে প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিল্পা এখন পর্যন্ত পর্নো কন্টেন্ট নির্মাণ কিংবা বিপণনসংশ্লিষ্ট সকল অভিযোগই প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং নিজের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন।

উপরন্তু বারংবার শিল্পা তদন্তকারী দলের সঙ্গে তার জবানবন্দিতে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের একই রকমফেরের অন্যান্য কন্টেন্টের উদাহরণ টেনেছেন। তিনি বলেছেন, তার স্বামী রাজ কুন্দ্রার ডিভাইসে হটশট অ্যাপের জন্য যেসব কন্টেন্ট পাওয়া গেছে,সেসব পর্ণোগ্রাফি নয় বরং উদ্দীপনামূলক।

এদিকে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম জি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, শিল্পাকে প্রায় ৫ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে মুম্বাই পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে পর্নো ছবির শুটিং নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন শিল্পা। এসময় শিল্পার স্বামী রাজ কুন্দ্রাও উপস্থিত ছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদে শিল্পা ‘গুরুত্বপূর্ণ’ তথ্য দিয়েছেন। তদন্তের স্বার্থে এসব তথ্য এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

জি নিউজের খবরে আরো বলা হয়েছে, শুক্রবার জিজ্ঞাসাবাদে শিল্পাকে ‘কেনরিন’ নামক একটি সংস্থার কথা জানতে চান তদন্তকারীরা। ‘হটশটস’ নামের অ্যাপ তৈরিকারক কেনরিন সংস্থার কর্মপদ্ধতি এবং তার আর্থিক লেনদেন বিষয়ে জানতে চান তারা। এই কেনরিন সংস্থার মাধ্যমে রাজ কুন্দ্রা ও তার সহযোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হতো কি না তাও প্রশ্ন রাখা হয় শিল্পার কাছে ।

কেনরিন ছাড়াও ভিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজ নামক প্রতিষ্ঠানের বিষয়টি নিয়েও কাজ করছে মামলার তদন্তকারীরা। ২০২০ সালের শেষ দিকে শিল্পা কেন ভিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজের ডিরেক্টর পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন তা খতিয়ে দেখছেন তারা।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *