বিনামূল্যে করোনার টিকা কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক পদক্ষেপ


বিনামূল্যে করোনার টিকার কার্যক্রমকে প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক পদক্ষেপ উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টিকা নিতে দেশের মানুষকে কোনো টাকা দিতে হচ্ছে না। বিনামূল্যে টিকা (ভ্যাকসিন) দেয়ার যে পদক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়েছেন তা একটা ঐতিহাসিক ঘটনা।

তিনি বলেন, প্রতিদিন টিকা দেয়া হচ্ছে। মানুষ টিকা পাচ্ছে। দেশের প্রত্যেক মানুষ যাতে টিয়া পায় তার ব্যবস্থা করায় শুধু দেশে নয়, দেশের বাইরেও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ।

রোববার ভোলার কাচিয়াসহ ৭ ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর করোনাকালীন মানবিক সহায়তার নগদ অর্থ ও খাদ্য বিতরণকালে ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তোফায়েল আহমেদ।

আওয়ামী লীগের প্রবীণ এই নেতা প্রধান অতিথি হিসেবে ৭ ইউনিয়নেই ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখার সময় দেশের অর্থনীতির প্রসঙ্গে বলেন, করোনাকালীন সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে আমাদের অর্থনীতিতে প্রাণচাঞ্চল্য এসেছে। প্রবৃদ্ধি ভালো হয়েছে। ব্যবসা বাণিজ্যে কোনোটায় কোনো ক্ষতি হয়নি। দেশের মেহনতি মানুষকে বারবার মানবিক সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় তিনি ভোলার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, কাচিয়া, ইলিশা, রাজাপুরে এখন আর নদীভাঙনের ভয় নেই। তার আমলে নদীভাঙন বন্ধ করতে সফল হয়েছেন বলেও জানান তিনি।

তার স্বপ্ন ভোলা-বরিশাল ব্রিজ নির্মাণ প্রক্রিয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এটি সফল হলেই ভোলা-ঢাকা দূরত্ব কমে যাবে। উন্নয়ন হবে এ জেলার।

মানবিক সহায়তা নিতে আসা পরিবারসহ স্থানীয়দের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রত্যেককে নির্দিষ্ট দূরত্বে অবস্থান ও স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান জানান তোফায়েল আহমেদ।

কাচিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম সম্পাদক জহুরুল ইসলাম নকিবের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মমিন টুলু, উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোশারফ হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব, উপজেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক নজরুল ইসলাম গোলদার, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল ইসলাম।

অপর মিটিংগুলোতে সভাপতিত্ব করেন ইউএনও মো. মিজানুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন- ইউপি চেয়ারম্যানদের মধ্যে ইয়ানুর রহমান বিপ্লব, মিজানুর রহমান খান, মো. গিয়াস উদ্দিন, হাসনাইন আহম্মেদ, প্রতি ইউনিয়নে ৪৫০ পরিবারকে পরিবার প্রতি ১০০০ টাকা করে দেয়ার পাশাপাশি জেলায় ১ লাখ ৮ হাজার ৮৭৩ পরিবারকে দেয়া হচ্ছে ১০ কেজি হারে এক হাজার ৮৮ দশমিক ৭৩ মেট্রিক টন চাল।

অপরদিকে সোনালী ব্যাংকের সিএসআর কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ৮৮ দরিদ্র পরিবারের মধ্যে ২০০০ টাকা করে ১৭ লাখ ৬ হাজার টাকা বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক মো. তৌফিক-ইলাহী চৌধুরী, এজিএম আবুল কালাম আজাদ, ম্যানেজার কবির আহমেদ

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *