টিকাপ্রাপ্তির ১৮ করার চিন্তা

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় নতুন করে আরও দুই হাজার চিকিৎসক ও চার হাজার নার্স নিয়োগের কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি টেকনোলজিস্ট নিয়োগের কাজও চলমান রয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

ঢাকা মেডিকেলে নতুন করে কোভিড-১৯ চিকিৎসায় ১৩টি আইসিইউ বেড, একটি ডায়ালাইসিস সেন্টার ও চারটি ভেন্টিলেটর স্থাপন বড় ভূমিকা রাখবে বলে জানান জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্যখাতের সমালোচনা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সমালোচনা হওয়া উচিৎ যারা স্বাস্থ্যখাত নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্তি করে তাদেরকে নিয়ে, যারা মুখে মাস্ক পড়ে না তাদেরকে নিয়ে। দেশে এখন খাদ্যের কোনো অভাব নেই, শিল্প বন্ধ হয়নি, স্বাস্থ্যসেবা চলমান রয়েছে তাহলে স্বাস্থ্যখাত নিয়ে কেন এত চক্রান্ত? এই চক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর অর্জনকে ম্লান করার ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই না।

অনুষ্ঠান পরবর্তী সময়ে, ঢাকা মেডিকেলের চারটি ভ্যান্টিলেটর উপহার হিসেবে প্রদান করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. মাসুদ রানা।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হকের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. কাজী দ্বীন মোহাম্মদ প্রমুখ।


স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সব নাগরিককে ভ্যাকসিনের আওতায় আনতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশের শিক্ষা কার্যক্রমকে পুনরায় গতিশীল করতে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সব নাগরিককে ক্রমান্বয়ে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের আওতায় নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে জাতীয় পরামর্শক কমিটির সুপারিশ রয়েছে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার সকালে মহাখালীস্থ বিসিপিএস ভবনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কোভিড-১৯ আইসিইউ বেড সম্প্রসারণ এবং আউট পেশেন্ট ডিপার্টমেন্টের (ওপিডি) উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
জাহিদ মালেক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সব নাগরিককে ক্রমান্বয়ে টিকার আওতায় আনতে বদ্ধপরিকর রয়েছেন। বর্তমানে সরকারের হাতে ৪৫ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন রয়েছে। এ ছাড়া, ১৪ জুলাই থেকেই ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম পুরোদমে চালু হয়েছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী বলেন, চীন থেকে আগেই ২০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন সরকার হাতে পেয়েছে। আরও দেড় কোটি ভ্যাকসিন প্রতি মাসেই দেশে আসতে থাকবে। এদের পাশাপাশি অ্যাস্ট্রেজেনেকার ২৯ লাখ ডোজ বরাদ্দ রয়েছে। দেশে যারা প্রথম ডোজ ভ্যাকসিন নিয়ে দ্বিতীয় ডোজের জন্য অপেক্ষায় ছিলেন তারা এই অ্যাস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন থেকে দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারবেন। এর পাশাপাশি ফাইজারের ভ্যাকসিনও আগামী মাসে আসবে। এই মুহূর্তে দেশে তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন মজুদ রাখার সক্ষমতা স্বাস্থ্যখাতের হাতে রয়েছে। সুতরাং বিদেশ থেকে ভ্যাকসিন এনে তা ভালোভাবে রেখে বণ্টন করতে কোনো সমস্যা হবে না।

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় নতুন করে আরও দুই হাজার চিকিৎসক ও চার হাজার নার্স নিয়োগের কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি টেকনোলজিস্ট নিয়োগের কাজও চলমান রয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

ঢাকা মেডিকেলে নতুন করে কোভিড-১৯ চিকিৎসায় ১৩টি আইসিইউ বেড, একটি ডায়ালাইসিস সেন্টার ও চারটি ভেন্টিলেটর স্থাপন বড় ভূমিকা রাখবে বলে জানান জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্যখাতের সমালোচনা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সমালোচনা হওয়া উচিৎ যারা স্বাস্থ্যখাত নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্তি করে তাদেরকে নিয়ে, যারা মুখে মাস্ক পড়ে না তাদেরকে নিয়ে। দেশে এখন খাদ্যের কোনো অভাব নেই, শিল্প বন্ধ হয়নি, স্বাস্থ্যসেবা চলমান রয়েছে তাহলে স্বাস্থ্যখাত নিয়ে কেন এত চক্রান্ত? এই চক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর অর্জনকে ম্লান করার ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই না।

অনুষ্ঠান পরবর্তী সময়ে, ঢাকা মেডিকেলের চারটি ভ্যান্টিলেটর উপহার হিসেবে প্রদান করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. মাসুদ রানা।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হকের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. কাজী দ্বীন মোহাম্মদ প্রমুখ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *